মালয়েশিয়ায় যারা রি-ক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমেও বৈধ হতে পারবেন না

Spread the love

কারা কারা রি-ক্যালিব্রেশন প্রগ্রামের মাধ্যমে বৈধ হতে পারবেন না। ১. ৩১শে ডিসেম্বর ২০২১ সালের পর যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ২. 6p ভিসা যাদের শেষ হয়েছে। ৩. মালয়েশিয়াতে প্রবেশের যাদের রেকর্ড নেই। ৪. ব্ল্যাকলিস্ট ও যাদের নামের লারি রিপোর্ট আছে।

 

May be an image of text

 

৫. গত রি-হেয়ারিং প্রক্রিয়ায় ভিসা পাওয়ার পরও আবার যারা অবৈধ হয়েছে। ৬. যাদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি। এখানে সরকারি নিয়মের শর্তগুলো তুলে ধরা হলো। মালয়েশিয়াতে নিয়মের বাইরে অনেক সময় অনেক কিছু হয়।

আরও পড়ুন >>>

মালয়েশিয়ার কলিং পিছিয়ে ,আদম ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

টানা দুই দিন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ভার্চুয়াল মিটিং এ কোন ফল হল না শ্রমবাজার। পিছিয়ে গেল আবারও সেই অপেক্ষামান কলিং। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নিয়ে একমত হতে পারেনি দুই দেশ।

মঙ্গলবার ও বুধবার ( ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষে এ কথা জানান মালয়েশিয়া মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান ।এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অনলাইনে দ্বিতীয় দিনের মতো এ বৈঠক শুরু হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান। বৈঠকে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

গতকাল মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নিয়েছিল মালয়েশিয়া মানব সম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান ও বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। প্রায় ৪ ঘন্টা দীর্ঘ এই বৈঠকের পর শ্রমবাজার নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মনিরুছ সালেহীন, বিএমইটির মহাপরিচালক শামসুল আলম, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল হাসান বাদল ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং এ ৪ টি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা থাকলে ও প্রধান আলোচনায় ছিল শ্রমবাজার খোলা।

Leave a Reply